সবেমাত্র সোফায় গা এলিয়ে বসে TV টা চালিয়েছি। channel টাও বাছা হয় নি। এর মধ্যে রান্নাঘর থেকে হুংকার এলো। "Chair এর তলা তা vacuum করেছো ? আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। মা বগলার দিব্বি দিয়ে বলতে পারি - last আধ ঘন্টা ধরে সারা বাড়ি জরিপ করেছি - কোথাও ধুলো ময়লা কিছুই চোখে পরে নি। এমনকি সামনের ঘরে সোফার তলায় প্রাগৈতিহাসিক আমলের একটা biscuit এর প্যাকেট লুকিয়ে ছিল। ঠিক নজর করে সেটা আমি তুলে নিয়েছি। আজ বাড়িতে party. কোনো খুঁত রাখা চলবে না। chair এর তলায় কি যে এমন জঘন্য পরিস্তিতি তাও বুঝতেই পারছি না। এখন আর damage control করা ছাড়া উপায় নেই। উত্তেজিত ভাবে গিন্নির প্রশ্নে জবাব দিলাম - "না ওটা বাকি আছে। শিগ্গিরি এসে দেখে যাও Covid নিয়ে news এ কি বলছে। " কপাল ভালো ছিল - news এর চ্যানেল টা খুঁজে পেতে না পেতেই গিন্নির প্রবেশ। Last কদিন এ আমি লক্ষ করেছি যে news দেখলেই গিন্নির মেজাজ একদম তিরিক্ষে হয়ে যায়। সব কিছু ছেড়ে একদম গালি গালাজ এ নেমে পরে। বুঝি না বাবা, Lysol টা খাবে না গায়ে মাখবে তাই নিয়ে কিছু লোক গম্ভীর ভাবে বিবেচনা করছে। তাতে এতো রেগে যাবার কি আছে কে জানে? যতক্ষনে গিন্নির মেজাজ এর পারা ঠান্ডা হবে, ততক্ষনে chair এর তলা, পাপোশের তোলা, fridge এর তলা এমনকি তুলসী তলাও পরিস্কার হয়ে যাবে । এ যাত্রায় ফারা কাটলো। এখন থেকে সাবধানে পা ফেলতে হবে।
এর পর রান্না করার পালা। সেখানে কোনো ভুল হলে আর রক্ষে নেই। সোজা গোসাঘরে খিল।
News এর পালা শেষ হলে মৃদুস্বরে গিন্নি কে জিজ্ঞেস করলাম - "আজ Party র মেনু টা কি ?". মেনুর কথা শুনেই দেবী মায়ের মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েন থেকে নিজেকে বার করে এনে উৎফুল্ল স্বরে জবাব দিলো - "ভাজা মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, ছানার ডালনা, আলুর দম, চিকেন curry, সর্ষে মাছ, চাটনি, পাঁপড়। সঙ্গে ভাত ". আমার মুখ ফস্কে বেরিয়ে যাচ্ছিলো - "পায়েস টা বাদ দিলে কেন ?" কোনো মতে নিজেকে সংযম করলাম। এই বাজারে এই রকম মস্করা করে নিজের দুঃসাহসের পরিচয় দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। ভাগ্গিস মিষ্টি দই তা বাইরে থেকে আনা হয়েছে। আমি একটু মনে শঙ্কার ভাব করে জিজ্ঞেস করলাম - "ওরা এতো কিছু খাবে ?" দেবীর ভ্রূকুটি লক্ষ্য করেই বললাম "মানে ওরা তো অবাঙালি, ওদের কি এতো কিছু পছন্দ হবে ?" এখানেই বলে নি, আমাদের আজকের অতিথি বৃন্দ উত্তর ভারতীয়। তাঁরা অতিথি আপ্পায়ন করে rajma chawal বা kadhi chawal খাইয়ে। কপাল ভালো থাকলে butter chicken । বাঙালি party র এই অসংখ্য পদ বোধয় overkill হয়ে যাবে। In fact আমি নিশ্চিত যে এরম multi-pod এ খাওয়ার অভ্যেস এদের নেই। কিন্তু এই বিষয়ে আমার মতামতের কোনো গুরুত্ব নেই। তাই অগত্যা apron পরে বেগুন কাটতে বসলাম।
রান্না শেষ হতে হতে বিকেল ৬টা। আর কিছুক্ষনের মধ্যেই জনতার আবির্ভাব ঘটবে। চান করে, ভালো জামাকাপড় পরে সবে scent এর বোতল এ হাত দিয়েছি কি doorbell এ ডাক পড়লো। তড়িঘড়ি করে দরজা খুলতে যাব কি দেখি গিন্নি আগেই সেখানে উপস্থিত। আমি অতিথি আপ্পায়নে যোগ দেওয়ার আগেই একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। দরজা দিয়ে ভিতরে আসার জায়গায় - হঠাৎ দেখি সবাই বাইরে বেরিয়ে গেলো আর গিন্নি দরজা বন্ধ করে দিলো। আমি তো অবাক। এ কিরম অসভ্যতা ? অতিথি তো দেবতা। তার মুখে এরম করে দরজা বন্ধ করে কেউ ? আর তাছাড়া এতো খাবার। তার কি হবে ? আমার মুখে প্রশ্নের চাপ দেখে উত্তর দিলো - Patio Party . এই চারিদিকে কোভিদ এর ঠেলায় বাড়িতে আর লোক ঢোকানো যাচ্ছে না। তাই সবাই মিলে decide করেছে বাইরে বাগানে পার্টি হবে। এই বলে গিন্নি চলে গেলো চায়ের জল গরম করতে। Patio Party ? এর মানে কি ? আমি সারাটা সকাল মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বাড়ি পরিষ্কার করেছি। রান্না ঘরের গ্যাস, সোফার cushion, bathroom এর basin - কিছুই বাকি যায় নি। এতো কিছুর পরে patio party ? মানে কেউ বাড়ির ভেতরে আসবে না ? কি সাংঘাতিক চক্রান্ত।
অভিমান হজম করে বাইরে বাগানে এসে দেখি already চা আর সিঙ্গারা serve হয়ে গেছে। অতিথি আপ্পায়নে আমার গিন্নির জুড়ি পাওয়া কঠিন। যেন অতিথি আপ্যায়নের মধ্যে দিয়ে বাঙালি জাতির aristocracy আর sophistication represent করা হচ্ছে। সত্যি - চব্য চশ্যের মাধ্যমে জাতির উন্নয়ন, এই concept তা বাঙালি ছাড়া আর কেউ বোধয় relate করতে পারবে না। যাই হোক - এই জাতি উন্নয়নের মাঝেই আড্ডা চলতে থাকলো। আজকের বিষয় মূলত Covid নিয়ে। কে কবার বাজার যাচ্ছে, কোন বাজার যাচ্ছে, কবার হাত ধুচ্ছে, কবার জামা কাচছে - এই নিয়ে গুরুতর আলোচনা। আমি বুঝলাম, এই topic এ মুখ বন্ধ রাখাই ভালো। গিন্নি সকালেই আমাকে সাবধান করে দিয়েছে, sensitive topic এ বেশি জ্ঞান না জাহির করতে। ওতে মানুষ offended feel করতে পারে। তাই এই pandemic related social আর political topic এ আমার প্রবেশ নিষেধ। Sanitizer হাতে মাখবে না তাই দিয়ে চান করবে এটা অত্যন্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার - আমার এতে কোনো মতামত নেই। In fact আমি জানতেও চাই না বাইরের জামাকাপড় সবাই কোথায় ছাড়ছে। আমার সামনে না ছাড়লেই হলো।
সন্ধে গড়িয়ে রাত বাড়লো। এবার dinner টাইম। মানে official dinner টাইম। unofficial ডিনার বিকেল ৬তা থেকেই চলছে। খাবারের item এর সাজ ও সংখ্যা দেখে সকলের চক্ষু চড়কগাছ। "itna kuch kyu banaya ? daal aur chawal ke saath yeh sab kyu hain ?" একজন বলে উঠলো। বোঝো ঠেলা। শুধু ডাল ভাত দিয়ে আবার খাওয়া যায় নাকি? তার সাথে "এটা, ওটা, সেটা" না হলে রাতে ঘুম আসে না। তবে হ্যা, এইরকম বন্ধু থাকা এক দিক থেকে ভালো। বেশি expectation থাকে না । কিন্তু সর্ষে মাছ খেতে খেতে যখন একজন জিজ্ঞেস করলো "Raita milegi ?", আমার মাথায় যেন বজ্রপাত হলো। মাছ না সর্ষে, কে যে বেশি offence নিলো এই প্রশ্নে, সেটা বোঝা মুস্কিল। আমি হতাশা লুকিয়ে অবাক হবার ভাণ করে জিজ্ঞেস করলাম - "Raita kyu ?". "Yaar taste badiya lagega" উত্তর এলো। ইয়ার্কি হচ্ছে ? সর্ষে মাছে raita মিশিয়ে taste enhancement হবে ? Blasphemous . আমার মাথায় visuvious erupt করার আগেই দেখি গিন্নি কথা থেকে এক বাটি raita নিয়ে এলো। ধন্য গৃহিনী, তোমায় জাদুগর বরফির সেলাম । এইরকম magic, mere mortal দ্বারা সম্ভব নয়।
ভুরি ভোজ সম্পন্ন হলে একে একে সবাই প্রস্থান করলো। গিন্নির মুখের একটা উজ্জ্বল ভাব। বুঝলাম party successful. Finally একটু জিরোবার সুযোগ পেলাম। ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখলাম যে কয়েকটা বিশেষ কারণের জন্যই আজকের এই party successful. For the greater good সেগুলো আমি সবার সাথে share করছি -
১. Covid or not - বাঙালির আড্ডা কিছুতেই আটকায় না। বাগানে বেঞ্চি পেতে ৬ foot দূরে বসেও আমরা মনের আনন্দে পর নিন্দা পর চর্চা করতে পারি।
২. জাতির মান রক্ষা খুব গুরুত্ব পূর্ণ - তাই খাবারের সাজ. সংখ্যা এবং স্বাদ এ কার্পণ্য করবেন না।
৩. Raita can be a lifesaver
আর finally -
৪. গৃহিনীর কোথায় শেষ কথা - নিজের মতামত প্রকাশ করে মাতব্বরি মারার প্রয়োজন নেই। গৃহিণীর যেখানে পথে চললেই মঙ্গোল।
এবার শুতে যাই। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পরের party র planning শুরু হয়ে যাবে।
News এর পালা শেষ হলে মৃদুস্বরে গিন্নি কে জিজ্ঞেস করলাম - "আজ Party র মেনু টা কি ?". মেনুর কথা শুনেই দেবী মায়ের মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠলো। দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েন থেকে নিজেকে বার করে এনে উৎফুল্ল স্বরে জবাব দিলো - "ভাজা মুগের ডাল, বেগুন ভাজা, ছানার ডালনা, আলুর দম, চিকেন curry, সর্ষে মাছ, চাটনি, পাঁপড়। সঙ্গে ভাত ". আমার মুখ ফস্কে বেরিয়ে যাচ্ছিলো - "পায়েস টা বাদ দিলে কেন ?" কোনো মতে নিজেকে সংযম করলাম। এই বাজারে এই রকম মস্করা করে নিজের দুঃসাহসের পরিচয় দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। ভাগ্গিস মিষ্টি দই তা বাইরে থেকে আনা হয়েছে। আমি একটু মনে শঙ্কার ভাব করে জিজ্ঞেস করলাম - "ওরা এতো কিছু খাবে ?" দেবীর ভ্রূকুটি লক্ষ্য করেই বললাম "মানে ওরা তো অবাঙালি, ওদের কি এতো কিছু পছন্দ হবে ?" এখানেই বলে নি, আমাদের আজকের অতিথি বৃন্দ উত্তর ভারতীয়। তাঁরা অতিথি আপ্পায়ন করে rajma chawal বা kadhi chawal খাইয়ে। কপাল ভালো থাকলে butter chicken । বাঙালি party র এই অসংখ্য পদ বোধয় overkill হয়ে যাবে। In fact আমি নিশ্চিত যে এরম multi-pod এ খাওয়ার অভ্যেস এদের নেই। কিন্তু এই বিষয়ে আমার মতামতের কোনো গুরুত্ব নেই। তাই অগত্যা apron পরে বেগুন কাটতে বসলাম।
রান্না শেষ হতে হতে বিকেল ৬টা। আর কিছুক্ষনের মধ্যেই জনতার আবির্ভাব ঘটবে। চান করে, ভালো জামাকাপড় পরে সবে scent এর বোতল এ হাত দিয়েছি কি doorbell এ ডাক পড়লো। তড়িঘড়ি করে দরজা খুলতে যাব কি দেখি গিন্নি আগেই সেখানে উপস্থিত। আমি অতিথি আপ্পায়নে যোগ দেওয়ার আগেই একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। দরজা দিয়ে ভিতরে আসার জায়গায় - হঠাৎ দেখি সবাই বাইরে বেরিয়ে গেলো আর গিন্নি দরজা বন্ধ করে দিলো। আমি তো অবাক। এ কিরম অসভ্যতা ? অতিথি তো দেবতা। তার মুখে এরম করে দরজা বন্ধ করে কেউ ? আর তাছাড়া এতো খাবার। তার কি হবে ? আমার মুখে প্রশ্নের চাপ দেখে উত্তর দিলো - Patio Party . এই চারিদিকে কোভিদ এর ঠেলায় বাড়িতে আর লোক ঢোকানো যাচ্ছে না। তাই সবাই মিলে decide করেছে বাইরে বাগানে পার্টি হবে। এই বলে গিন্নি চলে গেলো চায়ের জল গরম করতে। Patio Party ? এর মানে কি ? আমি সারাটা সকাল মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বাড়ি পরিষ্কার করেছি। রান্না ঘরের গ্যাস, সোফার cushion, bathroom এর basin - কিছুই বাকি যায় নি। এতো কিছুর পরে patio party ? মানে কেউ বাড়ির ভেতরে আসবে না ? কি সাংঘাতিক চক্রান্ত।
অভিমান হজম করে বাইরে বাগানে এসে দেখি already চা আর সিঙ্গারা serve হয়ে গেছে। অতিথি আপ্পায়নে আমার গিন্নির জুড়ি পাওয়া কঠিন। যেন অতিথি আপ্যায়নের মধ্যে দিয়ে বাঙালি জাতির aristocracy আর sophistication represent করা হচ্ছে। সত্যি - চব্য চশ্যের মাধ্যমে জাতির উন্নয়ন, এই concept তা বাঙালি ছাড়া আর কেউ বোধয় relate করতে পারবে না। যাই হোক - এই জাতি উন্নয়নের মাঝেই আড্ডা চলতে থাকলো। আজকের বিষয় মূলত Covid নিয়ে। কে কবার বাজার যাচ্ছে, কোন বাজার যাচ্ছে, কবার হাত ধুচ্ছে, কবার জামা কাচছে - এই নিয়ে গুরুতর আলোচনা। আমি বুঝলাম, এই topic এ মুখ বন্ধ রাখাই ভালো। গিন্নি সকালেই আমাকে সাবধান করে দিয়েছে, sensitive topic এ বেশি জ্ঞান না জাহির করতে। ওতে মানুষ offended feel করতে পারে। তাই এই pandemic related social আর political topic এ আমার প্রবেশ নিষেধ। Sanitizer হাতে মাখবে না তাই দিয়ে চান করবে এটা অত্যন্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার - আমার এতে কোনো মতামত নেই। In fact আমি জানতেও চাই না বাইরের জামাকাপড় সবাই কোথায় ছাড়ছে। আমার সামনে না ছাড়লেই হলো।
সন্ধে গড়িয়ে রাত বাড়লো। এবার dinner টাইম। মানে official dinner টাইম। unofficial ডিনার বিকেল ৬তা থেকেই চলছে। খাবারের item এর সাজ ও সংখ্যা দেখে সকলের চক্ষু চড়কগাছ। "itna kuch kyu banaya ? daal aur chawal ke saath yeh sab kyu hain ?" একজন বলে উঠলো। বোঝো ঠেলা। শুধু ডাল ভাত দিয়ে আবার খাওয়া যায় নাকি? তার সাথে "এটা, ওটা, সেটা" না হলে রাতে ঘুম আসে না। তবে হ্যা, এইরকম বন্ধু থাকা এক দিক থেকে ভালো। বেশি expectation থাকে না । কিন্তু সর্ষে মাছ খেতে খেতে যখন একজন জিজ্ঞেস করলো "Raita milegi ?", আমার মাথায় যেন বজ্রপাত হলো। মাছ না সর্ষে, কে যে বেশি offence নিলো এই প্রশ্নে, সেটা বোঝা মুস্কিল। আমি হতাশা লুকিয়ে অবাক হবার ভাণ করে জিজ্ঞেস করলাম - "Raita kyu ?". "Yaar taste badiya lagega" উত্তর এলো। ইয়ার্কি হচ্ছে ? সর্ষে মাছে raita মিশিয়ে taste enhancement হবে ? Blasphemous . আমার মাথায় visuvious erupt করার আগেই দেখি গিন্নি কথা থেকে এক বাটি raita নিয়ে এলো। ধন্য গৃহিনী, তোমায় জাদুগর বরফির সেলাম । এইরকম magic, mere mortal দ্বারা সম্ভব নয়।
ভুরি ভোজ সম্পন্ন হলে একে একে সবাই প্রস্থান করলো। গিন্নির মুখের একটা উজ্জ্বল ভাব। বুঝলাম party successful. Finally একটু জিরোবার সুযোগ পেলাম। ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখলাম যে কয়েকটা বিশেষ কারণের জন্যই আজকের এই party successful. For the greater good সেগুলো আমি সবার সাথে share করছি -
১. Covid or not - বাঙালির আড্ডা কিছুতেই আটকায় না। বাগানে বেঞ্চি পেতে ৬ foot দূরে বসেও আমরা মনের আনন্দে পর নিন্দা পর চর্চা করতে পারি।
২. জাতির মান রক্ষা খুব গুরুত্ব পূর্ণ - তাই খাবারের সাজ. সংখ্যা এবং স্বাদ এ কার্পণ্য করবেন না।
৩. Raita can be a lifesaver
আর finally -
৪. গৃহিনীর কোথায় শেষ কথা - নিজের মতামত প্রকাশ করে মাতব্বরি মারার প্রয়োজন নেই। গৃহিণীর যেখানে পথে চললেই মঙ্গোল।
এবার শুতে যাই। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পরের party র planning শুরু হয়ে যাবে।
ফাটাফাটি লিখেছিস গাববু।
উত্তরমুছুন👌। চোখে জল চলে এলো 😪😅