আকাশ পানে তাকিয়ে দেখি
নীল সাগরের রঙ বাহার,
মাঝে মাঝে মেঘের ঢেউয়ে
সাদা ফেনার চমক তার।
কোথায় গেল ধূসর আকাশ
কালো মেঘের ধূম নিয়ে ?
বর্ষা রানী গেলেন কখন
মাটিকে সব প্রেম দিয়ে ?
নদীর জলে থৈ থৈ সুর
কূল ছাপানোর সঙ্গীতে,
কাশের বনের দুলছে মাথা
নাচের তালের ভঙ্গিতে।
ভোরের বেলায় শিউলি তলায়
কমলা বোঁটার সাদা ফুল,
ঘাসের আগায় স্ফটিক দানা
শিশির কণা দোদুল দুল।
সূয্যি মামা ছড়ায় সোনা
সাদা মেঘের ফাঁক গলে,
আকাশ বাতাস বদলে গেল
আনমনা হই কাজ ভুলে।
সেই চেনা সুর বাজলো আবার
আলোর বেণুর তাল গুনে,
মাতলো ভুবন আনন্দেতে
আগমনীর সুর শুনে।
"সাজ সাজ সাজ", রব উঠেছে
শারদীয়ার প্রাক্কালে,
শোক, তাপ, দুখ সরিয়ে রেখে
আনন্দে ভাস সক্কলে।
আসছে উমা মায়ের কাছে
মর্ত্যধামে এই শরতে,
পুত্র কন্যা আসছে সাথে
স্বামী রইলেন কৈলাশেতে।
পৃথিবীটা আজ বড়ো কালো উমা
মহিষাসুর আর একা নয় আজ,
মায়ের আদর পরে খেয়ো তুমি
চার দিনই পরো যুদ্ধের সাজ।
দশ ভূজে তুমি প্রহরণ ধরো
অগ্নি বর্ষ ললাট নেত্রে,
রুদ্র চন্ডী জ্বালাও আগুন
রক্ত বীজের জন্ম ক্ষেত্রে।
প্রকাশ হয়ও মা ভুবন ব্যাপিয়া
অসুর নিধনে শক্তি রূপিনী,
শান্তির বারি সিঞ্চণ করো
তাপিত মানবে শান্তি দায়িনী।
রূপ, জয়, যশ sotru বিজয়
চাই না কিছুই বর প্রদায়িনী,
হও সিংহ বাহিনী জগদ্ধাত্রী
মা দুর্গা তুমি দুর্গতিনাশিনী।
--- সুস্মিতা সেন
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন